বাংলাদেশ টাইম

প্রচ্ছদ» বিশ্ব »অপরাজেয় ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে রাশিয়া, বার্ষিক ‘স্টেট অব দ্য ন্যাশন’ ভাষণে দাবি পুতিনের
অপরাজেয় ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে রাশিয়া, বার্ষিক ‘স্টেট অব দ্য ন্যাশন’ ভাষণে দাবি পুতিনের

Friday, 2 March, 2018 11:48am  
A-
A+
অপরাজেয় ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে রাশিয়া, বার্ষিক ‘স্টেট অব দ্য ন্যাশন’ ভাষণে দাবি পুতিনের
বাংলাদেশ টাইম : রাশিয়া নতুন একটি অপরাজেয় ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে বলে দাবি করেছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বলেছেন, এ ক্ষেপণাস্ত্র বিশ্বের যে কোনও জায়গায় হানা দিতে সক্ষম।

রাশিয়ায় আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে বৃহস্পতিবার পার্লামেন্টের দুই কক্ষের যৌথ অধিবেশনে বার্ষিক ‘স্টেট অব দ্য ন্যাশন’ ভাষণে পুতিন এ দাবি করেন।

নতুন ক্ষেপণাস্ত্রটিসহ অন্য আরো অস্ত্র ভিডিওর মাধ্যমে প্রদর্শনও করেন তিনি।

ভিডিওতে ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শনের সময় পুতিন বলেন, এ ক্ষেপণাস্ত্রকে ইউরোপ এবং এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও আটকাতে পারবে না।

ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ছাড়াও সাবমেরিন পরিচালিত পানির নিচে চলাচলে সক্ষম একটি মানুষবিহীন যান প্রদর্শন করা হয় ভিডিওতে।

টিভিতে সম্প্রচারিত দু’ঘণ্টার ভাষণে পুতিন দুই পদ্ধতির এ পারমাণবিক অস্ত্রের নামকরণ করার জন্য রুশ নাগরিকদের আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, নতুন ক্ষেপণাস্ত্রটি শনাক্ত করা কঠিন, এটি অসীম পাল্লার, দুর্ভেদ্য এবং অপরাজেয়। বর্তমান কিংবা ভবিষ্যতের কোনো ক্ষেপণাস্ত্র পতিরক্ষা ব্যবস্থা কিংবা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এ ক্ষেপণাস্ত্রকে ঠেকাতে পারবে না।

পুতিনের উল্লিখিত নতুন অস্ত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে: একটি নতুন আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, একটি ছোট পারমাণবিক ওয়ারহেড বহনে সক্ষম ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, পানির নিচে চলাচলে সক্ষম পারমাণবিক ড্রোন, একটি সুপারসনিক অস্ত্র এবং লেজার অস্ত্র।

রাশিয়ার সামরিক শক্তি বিশ্বে শান্তিরক্ষার উদ্দেশ্য নিয়েই গড়ে তোলা হয়েছে বলে পুতিন ভাষণে যুক্তি দেখিয়েছেন। তবে তিনি এও বলেন, কেউ রাশিয়ার দিকে পারমাণবিক অস্ত্রের আঘাত হানলে তাৎক্ষণিকভাবে এর পাল্টা জবাব দেওয়া হবে। তাছাড়া, রশিয়ার মিত্রদেশগুলোর ওপর হামলাকেও নিজেদের ওপর হামলা ধরে নিয়ে মস্কো এর জবাব দেবে।

রাশিয়ায় নির্বাচনের আর মাত্র ১৭ দিন বাকি। চতুর্থ বারের মতো রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন পুতিন। তার আগে দেওয়া এ শেষ ভাষণে পুতিন তার  প্রধান প্রধান নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির মধ্যে দেশে দারিদ্র্য কমানোরও অঙ্গীকার করেছেন।

১৮ মার্চে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে আরো সাত প্রতিযোগীর সঙ্গে লড়বেন পুতিন। তবে তাদের কেউই তেমন জনসমর্থন আদায় করতে পারেনি। ফলে নির্বাচনে পুতিনই আবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে পারেন বলে ব্যাপকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

এই ধরনের আরও পোস্ট -
   

আরও খবর

TOP