বাংলাদেশ টাইম

প্রচ্ছদ» এনজিও »তামাকজাত পণ্য ক্রয়-বিক্রয় নিয়ন্ত্রণে লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করার উপর গুরুত্ব আরোপ ও নীতিমালা প্রনয়ণে উদ্যোগ
তামাকজাত পণ্য ক্রয়-বিক্রয় নিয়ন্ত্রণে লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করার উপর গুরুত্ব আরোপ ও নীতিমালা প্রনয়ণে উদ্যোগ

Wednesday, 28 March, 2018 05:39pm  
A-
A+
তামাকজাত পণ্য ক্রয়-বিক্রয় নিয়ন্ত্রণে লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করার উপর গুরুত্ব আরোপ ও নীতিমালা প্রনয়ণে উদ্যোগ

এইড ফাউন্ডেশনের উদ্দোগে আজ ২৮/০৩/২০১৮ ইং, দুপুরে জনাব মোঃ ওসমান গণি, মাননীয় প্যানেল মেয়র, ঢাকা উত্তর সিটি করর্পোরেশন এর সাথে ঢাকা উত্তর সিটি করর্পোরেশন, নগরভবন এর কার্যালয়ে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করা হয়। এইড ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধির পক্ষ থেকে তামাকজাত পণ্য ক্রয়-বিক্রয় নিয়ন্ত্রণে লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করার উপর গুরুত্ব আরোপ ও নীতিমালা প্রনয়ণে উদ্যোগ গ্রহণে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ করা হয়। পাশাপাশি সকল ধরনের পাবলিক প্লেসকে ধুমপান মুক্ত রাখার উদ্যোগ গ্রহনের জন্য অনুরোধ করা হয়।

এ সময়ে মো: এনায়েত হোসেন বলেন, সিটি কর্পোরেশন আইন ভালোভাবে যাচাই বাছাইয়ের মাধ্যমে এটা কার্যকর করা সম্ভব। বিড়ি-সিগারেটসহ সকল ধরনের তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয়ে লাইসেন্স গ্রহণ বাধ্যতামূলক করার পাশাপাশি আরো কিছু উদ্যোগ গ্রহণ জরুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জনাব দুলাল কৃষ্ণ সাহা, সচিব, স্থাণীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং এইড ফাউন্ডেশনের এ্যডভোকেসী অফিসার মোঃ রবিউল আলম, আবু নাসের অনীক ও মোঃ রাকিবুল ইসলাম।

উল্লেক্ষ যে, তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয়ে ও বিপণনের জন্য বাংলাদেশে কোন সু-নির্দিষ্ট নীতিমালা নেই। এমনকি তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয়ের সাথে সম্পৃক্তদের নির্ধারিত কোন ট্রেড লাইসেন্স গ্রহণের ব্যবস্থা নাই। যে কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রের আশেপাশের এলাকা, ডিপার্টমেন্টাল ষ্টোর, খাবারের দোকান, রেষ্টুুরেন্টসহ বিভিন্ন স্থানে অনিয়ন্ত্রিতভাবে তামাকজাত পণ্য বিক্রয় করা হচ্ছে। সহজ লভ্যতা ও সহজ প্রাপ্যতার কারণে যত্রতত্র তামাকজাত পণ্যের বিপণন কেন্দ্র গড়ে উঠছে। উৎকন্ঠার বিষয় এ সকল দোকানের সংখ্যা দিনদিন ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিষয়টির ক্ষতি বিবেচনায় নিয়ে দক্ষিণ এশীয় স্পীকারদের শীর্ষ সম্মেলণে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে তামাক মুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন।

স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন, ২০০৯ এর তৃতীয় তফসিল (ধারা ৪১) সিটি কর্পোরেশনের বিস্তারিত কার্যাবলির ১.১ ও ৫ অনুসারে যথাক্রমে, কর্পোরেশন নগরীর স্বাস্থ্য ব্যবস্থার জন্য দায়ী থাকবে এবং এই আইন বা ইহার অধীনে এতদ্বসম্পর্কে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করিবার থাকিলে, উহা সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে এবং জনস্বাস্থ্যের উন্নতির বিধানকল্পে প্রয়োজনীয় অন্য যে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে। এছাড়াও খাদ্য ও পানীয় দ্রব্যাদি ১১.১ অনুসারে, সিটি কর্পোরেশন খাদ্য ও পানীয় দ্রব্যাদি বিক্রয়ের উপর লাইসেন্স আরোপ ও ভ্রাম্যমান বিক্রয়ের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টিও এ আইনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এমতাবস্থায় জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাকজাত পণ্য ক্রয়-বিক্রয় ও সেবন নিরুৎসাহিত করণে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ‘স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন, ২০০৯’ এবং স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯ এর বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখতে পারে।


এই ধরনের আরও পোস্ট -
   

আরও খবর

TOP