বাংলাদেশ টাইম

প্রচ্ছদ» »নেতা-কর্মীরা বুকে গুলি নিতে প্রস্তুত রয়েছে: মির্জা আব্বাস
নেতা-কর্মীরা বুকে গুলি নিতে প্রস্তুত রয়েছে: মির্জা আব্বাস

Wednesday, 19 November, 2014 02:11  
A-
A+
নেতা-কর্মীরা বুকে গুলি নিতে প্রস্তুত রয়েছে: মির্জা আব্বাস
ভবিষ্যতে সরকারবিরোধী আন্দোলন আসছে জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, ওই আন্দোলনে পুলিশ যদি গুলি চালায়, সেই গুলি বুকে নেওয়ার জন্য নেতা-কর্মীরা প্রস্তুত রয়েছে।

সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, গুলি শেষ হয়ে গেলে কি করবেন? হয়তো তখন বিএনপির নেতা-কর্মীরাও শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু মানুষ আপনাদের ছাড়বে না। তাই সময় থাকতে স্বৈরাচারের পথ থেকে সরে আসুন।

বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে প্রয়াত মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর ৩৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ‘ভাসানী স্মৃতি সংসদ’ আয়োজিত এক স্মরণসভায় তিনি এ কথা বলেন।

এ দেশের মানুষ কখনো স্বৈরাচারকে প্রশ্রয় দেয়নি উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, যা স্বৈরাচারী করার করেছেন। এখন একটু থামেন। এদেশের মানুষ সব মাফ করে দেবে। অনেক খুন-গুমের ইতিহাস তৈরি করেছেন। আর হিটলারের পাশে নাম লেখাবেন না।

মির্জা আব্বাস বলেন, না থামলে কিভাবে স্বৈরাচারকে বিদায় করতে হয় তা এদেশের মানুষ জানে। ঊনসত্তরে যেমন মওলানা ভাসানীর এক হুংকারে আইয়ুব খানের তপ্ত তাউস নড়বড়ে হয়ে গিয়েছিলো, তেমনি খালেদা জিয়ার হুংকারে সরকারকে গদি থেকে বিদায় নিতে হবে।

বাংলাদেশের ইতিহাসে মওলানা ভাসানীর অবদান তুলে ধরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ভাসানীর জন্ম না হলে অনেক রাজনীতিবিদের জন্ম হতো না। আর অনেক রাজনীতিবিদের জন্ম না হলে অনেক নেত্রীর জন্ম হতো না।

মির্জা আব্বাস প্রশ্ন তোলেন, মওলানা ভাসানীর মতো একজন নেতার মৃত্যুবার্ষিকী এই ছোট্ট পরিসরে হবে কেন? কেন জাতীয়ভাবে তার মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হলো না?

তিনি বলেন, স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা মওলানা ভাসানীর অবদানসহ অনেক কিছুই আওয়ামী লীগ স্বীকার করতে চায় না। আগে পাঠ্যপুস্তকে তার জীবনী নিয়ে প্রবন্ধ থাকলেও এখন তা নেই। যেমন নেই জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা। বই থেকে তাদের নাম মুছে দেওয়া হয়েছে। জিয়াউর রহমানের অপারাধে মওলানা ভাসানীর নাম নেই, নাকি তার (মওলানা ভাসানী) অপরাধে জিয়াউর রহমানের নাম নেই; বুঝতে পারছি না।

বিএনপির এই নেতা বলেন, শত চেষ্টা করেও ইতিহাস থেকে মওলানা ভাসানী এবং জিয়াউর রহমানের মান মুছে দেওয়া যাবে না। মওলানা ভাসানী ছাড়া যেমন ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের ইতিহাস পূর্ণতা পাবে না, তেমনি জিয়াউর রহমানের অবদান ছাড়া মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস লেখা যাবে না।

জিয়াউর রহমান এবং তার গড়া দল বিএনপির নাম মুছে ফেলে দেওয়ার ষড়যন্ত্র হচ্ছে, অভিযোগ করে মির্জা আব্বাস বলেন, বাংলার মাটি থেকে এই দুটিকে কখনো ধ্বংস করা যাবে না।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি জিয়াউল হক মিলুর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জমান দুদু, যুগ্ম মহাসচিব বরকত উল্লাহ বুলু প্রমুখ।

এই ধরনের আরও পোস্ট -
   

আরও খবর

TOP