বাংলাদেশ টাইম

প্রচ্ছদ» দেশের খবর »শরণখোলায় এলজিইডি’র সড়ক মেরামতে অনিয়ম নি¤œমানের কাজ, উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং
শরণখোলায় এলজিইডি’র সড়ক মেরামতে অনিয়ম নি¤œমানের কাজ, উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং

Saturday, 30 June, 2018 08:56pm  
A-
A+
শরণখোলায় এলজিইডি’র সড়ক মেরামতে অনিয়ম   নি¤œমানের কাজ, উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং
শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
বাগেরহাটের শরণখোলায় এলজিইডি’র একটি সড়কের মেরামত কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রাইমকোট ছাড়া নামমাত্র বিটুমিন দিয়ে কার্পেটিং করার সঙ্গে সংঙ্গে তা উঠে যাওয়ায় এলাকাবাসীর চাপের মূখে তা আবার তুলে ফেলা হয়েছে। উপজেলা প্রকৌশলী ও কাজের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-সহকারী প্রকৌশলী দাড়িয়ে থেকে এ অনিয়মের সহযোগীতা করছেন বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেন।
জানা গেছে, ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের এলজিইডি’র গ্রামীণ সড়ক মেরামত ও রক্ষনাবেক্ষন কাজের আওতায় ৪২ লাখ টাকা ব্যায়ে উপজেলার খোন্তাকাটা ইউনিয়নের রায়েন্দা-বানিয়াখালী সড়কের দুই কিলোমিটার মেরামতের কাজ পায় বাগেরহাটের মেসার্স শুভ এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। পরে ওই কাজটি উপজেলার কদমতলা গ্রামের শামীম আহম্মেদ নামের এক ব্যক্তি সাব-কন্ট্রাক্ট নিয়ে দীর্ঘদিন ফেলে রাখে। একারনে দুর্ভোগের শিকার হয় এলাকাবাসী। এমনকি ওই কাজের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার সম্পূর্ন বিল উত্তোলন করে নিয়েছেন বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেছেন।
এরপর গত বৃহস্পতিবার (২৮ জুন) থেকে তড়িঘড়ি করে সড়কটির কাজ শুরু করেন সাব-ঠিকাদার। নিয়ম অনুযায়ী প্রাইমকোট দিয়ে কার্পেটিং করার নিয়ম থাকলেও তা না দিয়ে সামন্য বিটুমিন ব্যাবহার করে কার্পের্র্টিং এর কাজ করতে থাকে। এ ছাড়া দরপত্রের শর্ত অনুযায়ী পুরুত্ব কম এবং নি¤œ মানের বিটুমিন ব্যবহার কর হচ্ছে। ফলে কাজ চলমান থাকার মধ্যেই কার্পেটিং উঠে যেতে থাকে। এলাকাবাসীর প্রতিবাদের মুখে অবস্থা বেগতিক দেখে ঘটনাস্থলে উপস্থিত সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা শ্রমিক দিয়ে ওই কার্পেটিং তুলতে শুরু করেন।
এব্যাপারে স্থানীয় মোশারেফ মোল্লা, মো. ইলিয়াস হোসেন, ইউপি সদস্য আ. রহিম বলেন, ঠিকাদারের সাথে যোগসাযোশে  উপজেলা প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব প্রাপ্ত উপ-সহকারী প্রকৌশলী দাড়িয়ে থেকে নি¤œ মানের কাজ করাচ্ছেন।
খোন্তাকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জাকির হোসেন খান বলেন, কাজের মান খুবই খারাপ। এভাবে নি¤œমানের কাজ করলে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হবে।
এ ব্যাপারে এলজিইডি’র উপজেলা প্রকৌশলী চন্দন কুমার চক্রবর্তী জানান, সড়কের  কিছু জায়গায় কাজ খারাপ হয়েছে যা এলাকাবাসীর অভিযোগের পরে তুলে ফেলা হচ্ছে। কাজের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-সহকারী প্রকৌশলী (এসও) রেজাউল কবির জানান, আমাদের অনুপস্থিতে ঠিকাদার কিছু অনিয়ম করেছে। তা আবার ঠিক করে দেয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিংকন বিশ্বাস জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনি গতকাল শনিবার সড়কটি পরিদর্শন করেছেন। যে জায়গায় সড়কের কাজ খারাপ হয়েছে তা তুলে নতুন করে করার জন্য উপজেলা প্রকৌশলীকে বলা হয়েছে। জানতে চাইলে সাব ঠিকাদার শামীম আহম্মেদ অনিয়মের বিষয়টি মিস্ত্রী ও শ্রমিকদের উপর দোষ চাপিয়ে দায় এড়িয়ে যান। ##


এই ধরনের আরও পোস্ট -
   

আরও খবর

TOP