বাংলাদেশ টাইম

প্রচ্ছদ» দেশের খবর »পাবনায় স্কুলের সীমানা প্রাচীর ধ্বসে শিশু শিক্ষার্থী নিহত গুরুতর আহত ৩ শিক্ষার্থী
পাবনায় স্কুলের সীমানা প্রাচীর ধ্বসে শিশু শিক্ষার্থী নিহত গুরুতর আহত ৩ শিক্ষার্থী

Saturday, 21 April, 2018 07:28pm  
A-
A+
পাবনায় স্কুলের সীমানা প্রাচীর ধ্বসে শিশু  শিক্ষার্থী নিহত  গুরুতর আহত ৩ শিক্ষার্থী
পাবনা প্রতিনিধি:
পাবনায় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীরের দেয়াল ধ্বসে ১ শিশু শিক্ষার্থী নিহত এবং ৩ শিশু শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টার দিকে পাবনা শহরের শিবরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ দূর্ঘটনা ঘটে। শনিবার দুপুরে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় আফরিন নাহার নামে এক দ্বিতীয় শ্রেনীর শিশু শিক্ষার্থী মারা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শিরা জানান, সংস্কার কাজের জন্য স্কুলের সীমানা প্রাচীরের দেয়াল ঘেঁষে বালুসহ নির্মাণ সামগ্রী রেখেছিলেন একটি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। সকালে স্কুলের দেয়ালের পাশ দিয়ে যাতায়াত করছিলো শিক্ষার্থী। এ সময় হঠাৎ দেয়াল ধ্বসে পড়ে শিক্ষার্থীদের ওপর। এতে গুরুতর আহত হয় শিবরামপুর এলাকার আইয়ুব আলীর দুই মেয়ে দ্বিতীয় শ্রেনীর শিক্ষার্থী  আফরিন ও আফসানা, আমিন উদ্দিনের ছেলে শিশু শ্রেণীর ছাত্র আল আমিন ও মানিক রতনের ছেলে শিশু শ্রেণীর ছাত্র ইসমাইল। তাদের উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে এদের মধ্যে আফরিন ও ইসমাইলের অবস্থার অবনতি হলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
শনিবার দুপুর ৩টার দিকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় আফরিন নাহার নামে এক দ্বিতীয় শ্রেনীর শিশু শিক্ষার্থী মারা গেছে। সে শিবরামপুর এলাকার আইয়ুব আলীর মেয়ে।
এর আগে খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে আহত শিক্ষার্থীদের দেখতে ও চিকিৎসার খোঁজ খবর নেন জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন,  জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুস সালাম ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস।
এদিকে, ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা স্কুলের সামনে ঢাকা-পাবনা মহাসড়ক অবরোধের চেষ্টা করলে কিছু সময় যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
এলাকাবাসি অভিযোগ করে বলেছেন, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে অনেকবার বলা হয়েছে দিনের বেলা বিশেষ করে স্কুল চলাকালিন অবস্থায় কাজ না করার জন্য। বিষয়টি স্কুলের প্রধান শিক্ষক এনামুল হক সিদ্দিকীকেও বলা হয়েছে, কিন্ত তারা কেইও কর্নপাত করেননি। আগে থেকে সর্তক হলে এই দুর্ঘটনা ঘটতো না। এলাকাবাসি শিক্ষার্থীদের  অভিভাবকরা ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের শাস্তি এবং প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবী করেছেন।
এব্যাপারে পাবনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুস সালাম জানান, ঘটনাটি দু:খজনক, প্রধান শিক্ষকের কোন গাফলতি থাকলে তদন্তপুর্বক তার বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।


 

এই ধরনের আরও পোস্ট -
   

আরও খবর

TOP