বাংলাদেশ টাইম

প্রচ্ছদ» দেশের খবর »সুন্দরবনে জাহাজ ডুবির ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে বনবিভাগ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি দল
সুন্দরবনে জাহাজ ডুবির ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে বনবিভাগ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি দল

Tuesday, 17 April, 2018 09:27pm  
A-
A+
সুন্দরবনে  জাহাজ ডুবির ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে বনবিভাগ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি দল
মোংলা প্রতিনিধিঃ
মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেলের সুন্দরবনের হারবাড়িয়া এলাকায় ডুবে যাওয়া কয়লা বোঝাই লাইটার জাহাজ এমভি বিলাশ উদ্ধার কাজ এখনও শুরু করা সম্ভব হয়নি।  সোমবার দুপুরে সুন্দরবন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ মাহমুদ হাসান ও খুলনা পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ সময় পরিবেশ অধিদপ্তরের দলটি ঘটনাস্থল থেকে নদীর পানি সংগ্রহ করেন। এ পানিতে জলজ প্রানীর জন্য ক্ষতিকর কোন পদার্থ ও রাসয়নিক আছে কিনা তা ক্ষতিয়ে দেখবে পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি দলটি।
এ দিকে চ্যানেলে নৌযান চলাচল নিরাপদ রাখতে  সোমবার সকাল থেকে লাইটার মালিক পক্ষের উদ্যোগে দূর্ঘটনা স্থল মার্কি করার কাজ শুরু হয়েছে। এ ছাড়া বন্দরে চ্যানেল পুরোপুরি নিরাপদ রয়েছে বলে দাবি করেছেন বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাস্টার কমান্ডার ওয়ালিউল্লাহ। তিনি জানান, লাইটারটি দ্রæত উদ্ধারে মালিক পক্ষকে ১৫ দিনের সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে ব্যর্থ হলে পরবর্তী তাদের করনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবে। সুন্দরবনের অভ্যন্তরের নদীতে কয়লা বোঝাই ওই লাইটার ডুবির ঘটনায় রোববার রাতে সুন্দরবনের চাঁদপাই স্টেশন কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম মোংলা থানায় একটি সাধারণ ডায়রী করেছেন। ওই ডায়রীতে  অতিরিক্ত বোঝাইয়ের কারনে কয়লা বোঝাই লাইটারটি ডুবেছে বলে উল্লেখ করেন। এ দিকে সোমবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সুন্দরবন পূর্ব বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোবাইল ফোনে  জানান, ডুবন্ত লাইটারটি  প্রায় ১২ ফুট পানির নীচে রয়েছে । লাইটার জাহাজে থাকা জ্বালানী তেল ও কয়লার রাসয়নিক পদার্থ নদীর জলজ প্রানীর জন্য কেমন প্রভাব ফেলবে এবং সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি নিরুপনে চাঁদপাই রেঞ্জ কর্মকর্তা শাহিন কবিরকে খতিয়ে দেখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আর ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহনের কথা জানান তিনি। অপর দিকে পরিবেশ অধিপ্তরের বাগেরহাট জেলা সহকারী পরিচালক মোঃ এমদাদ হোসেন  জানান, তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং এখনই ক্ষয়ক্ষতি নিরুপন করা সম্ভব নয়। তবে ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত পানি ল্যাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর সব কিছু নিশ্চিত করা সম্বভ হবে। তিনি জানান, লাইটার জাহাজটির তেল ও কয়লা রাসয়নিক পদার্থ পরিবেশ ও জলজ প্রানীর জন্য কোন ক্ষতিকর প্রভাব ফেলবে কিনা তা গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হবে ।
গত রোববার ভোর রাতে ৭৭৫ মেট্রিক টন কয়লা নিয়ে মাদার ভ্যাসেল থেকে ছেড়ে আসার পথে সুন্দরবনের হারবাড়িয়ার ৬ নং বয়ার অদূরে এমভি বিলাশ নামের এ লাইটার জাহাজটি ডুবো চরে আটকে কাত হয়ে ডুবে যায়। এ দূর্ঘটনার পর বন্দর কর্তৃপক্ষের উদ্ধারকারী নৌযান ও একটি প্রতিনিধি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও উদ্ধার কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি।


এই ধরনের আরও পোস্ট -
   

আরও খবর

TOP