বাংলাদেশ টাইম

প্রচ্ছদ» দেশের খবর »চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের অবরোধে পুলিশের লাঠিপেটা
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের অবরোধে পুলিশের লাঠিপেটা

Tuesday, 20 February, 2018 02:13pm  
A-
A+
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের অবরোধে পুলিশের লাঠিপেটা
বাংলাদেশ টাইম : দুপক্ষের সংঘর্ষ ও রাতে ছাত্রাবাসে তল্লাশির পর ‘পুলিশী হামলা’র প্রতিবাদে ও প্রক্টরের পদত্যাগ দাবিতে লাগাতার অবরোধের ডাক দিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ছাত্রলীগের একাংশ।

মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছিরের অনুসারী চবি ছাত্রলীগের অংশটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক বন্ধ করে দিয়ে সেখানে অবস্থান নেয়।

বেলা সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশ লাঠিচার্জ ও টিয়ার শেল ছুড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। অবরোধকারীরা সরে যাওয়ার পর মূল ফটকের তালা খুলে দেওয়া হয়।

বেলা একটার দিকে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মশিউদ্দৌলা রেজা সাংবাদিকদের বলেন, “গত রাতে দুই হলে তল্লাশি চালিয়ে আট-দশটা রামদা ও দুটি আগ্নেয়াস্ত্র পাই। এরই প্রেক্ষিতে কিছু উচ্ছৃঙ্খল ছাত্র মূল ফটক অবরোধ করে।

“পরে আমরা তাদের উঠে যেতে অনুরোধ করি। তারপরও সরে না গেলে তাদের সরিয়ে দেওয়া হয়।”

 এর আগে বেলা সোয়া ১২টার দিকে অবরোধ আহ্বানকারী চবি ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির সহ-সভাপতি মো. মামুন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, গতরাতে হলে তল্লাশির নামে পুলিশ নিরীহ শিক্ষার্থীদের লাঠিচার্জ করে এবং তাদের সাথে দুর্ব্যবহার করে।
“সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দিতে প্রক্টর ব্যর্থ হয়েছেন। তাই উনার পদত্যাগ দাবি করে আমার অবরোধের ডাক দিয়েছি।”

অবরোধ আহ্বানকারী পক্ষের আরেক নেতা বিলুপ্ত কমিটির উপ-গ্রন্থাগার সম্পাদক মিজানুর রহমান বিপুল বলেন, চলতি মাসে একাধিকবার পুলিশ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করেছে।

 “এর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আমরা প্রক্টরের পদত্যাগ চাই।”

 এর আগে মঙ্গলবার সকালে বটতলী স্টেশন থেকে ক্যাম্পাসগামী শাটল ট্রেন এবং শহর থেকে ক্যাম্পাসমুখী শিক্ষক বাস ছাড়তে বাধা দেওয়া হয়।

 সোমবার দুপুরে শাহ জালাল হলে আ জ ম নাছিরের অনুসারী ছাত্রলীগ অংশ এবং শাহ আমানত হলে প্রয়াত নেতা মহিউদ্দিন চৌধুরীর অনুসারী ছাত্রলীগের অন্য অংশ অবস্থান নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়।
সে সময় দুই পক্ষের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া এবং ঢিলের আঘাতে কমপক্ষে ছয়জন আহত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ার শেল ছুড়ে পুলিশ।

পরে রাতে দুটি ছাত্রাবাসেই তল্লাশি চালায় পুলিশ। এসময় শাহ জালাল হলের পেছনের পাহাড় থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় দুটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ।

শাহ জালাল ছাত্রাবাসে চবি ছাত্রলীগে আ জ মা নছিরের অনুসারীদের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। বিপরীতে শাহ আমানত ছাত্রবাসের নিয়ন্ত্রণ মহিউদ্দিনের অনুসারীদের হাতে।

এই ধরনের আরও পোস্ট -
   

আরও খবর

TOP