বাংলাদেশ টাইম

প্রচ্ছদ» শিল্প-সাহিত্য »জগলুল হায়দারের ‘বৃষ্টির গান শুনি’
জগলুল হায়দারের ‘বৃষ্টির গান শুনি’

Monday, 9 February, 2015 11:47  
A-
A+
জগলুল হায়দারের ‘বৃষ্টির গান শুনি’
বাংলাদেশ টাইমঃ এবারের বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছে ছড়াকার জগলুল হায়দারের কবিতার বই ‘বৃষ্টির গান শুনি’।

বইটির ফ্ল্যাপে আরেক ছড়াকার রেজাউদ্দিন স্টালিন লিখেছেন, ‘জগলুল হায়দারের ছড়ার সঙ্গে আমার অনেক দিনের পরিচয়। খুবই বুদ্ধিদীপ্ত। অনেক প্রবন্ধগন্ধী শব্দ তিনি ছড়ায় ব্যবহার করেন। চমৎকার মানিয়ে যায় সেইসব শব্দ তার ছড়ার শরীরে। পাওয়ার প্লে নামে ছড়ার বই। ওর মধ্যে তার অনেক চরিত্র, আধুনিক বিজ্ঞানের, প্রযুক্তির নানা শব্দ নড়েচড়ে ওঠে। শ্লেষ আর পরিহাস করার দারুণ ক্ষমতায় আমি আপ্লুত।’

এবারের একুশের বইমেলায় জগলুল এনেছেন কাব্যগ্রন্থ ‘বৃষ্টির গান শুনি’। এই কাব্যগ্রন্থের বেশ কয়েকটি কবিতায় আবেগ আর যুক্তির সমন্বয় আছে। সঞ্চার পথ শিরোনামের একটি কবিতার দুটি লাইন আমার বক্তব্যের সমর্থনে উল্লেখ করবো- বিভাজিত হয়ে আছি আমার মধ্যে আমিত্বে/ খোদ নিজের মধ্যেই দুটি বিন্দুতে।

এখানে স্পষ্টতই আমিত্বের মধ্যে যে দ্বান্দ্বিকতা, তার স্বরূপ অনুসন্ধানের প্রয়াস দেখি। অডেনের সেন্ট্রাল আই। নিজের হয়েও সকলের, সমকালের হয়েও চিরকালের সেই সে কবিতা। কবিতা সর্বজনীন ও চিরকালের। এভাবেই ভেবেছেন রবীন্দ্রনাথ। জগলুল তার কবিতায় ঐতিহাসিক এবং পৌরাণিক বিষয়ের সঙ্গতিময় ব্যবহার করেছেন।

আমাদের কবিতায় আবেগের বাহুল্য চিত্রকল্প রূপক উপমার ভার অনেক খ্যাতিমান কবিদের মধ্যেও লক্ষ্য করি। কিন্তু জগলুলের অনেক কবিতা নির্ভার ও নির্মেদ। জগলুলের একটি কবিতার নাম ‘বিশ্বাস রেখো’। হ্যাঁ, তাকে তো আস্থা রাখতেই হবে নিজের কাব্য বিশ্বাসের প্রতি এবং পাঠকের প্রতি। একজন কবির গন্তব্য শেষ হয় না। জগলুল সেই অনিঃশেষ গন্তব্যের অনুসন্ধানে ব্রতী হবে- তা আমি গভীরভাবে বিশ্বাস করি।

এই ধরনের আরও পোস্ট -
   

আরও খবর

TOP