বাংলাদেশ টাইম

প্রচ্ছদ» মুক্তমত »ঘুরে এলাম দক্ষিণ ভারত: প্রথম পর্ব
ঘুরে এলাম দক্ষিণ ভারত: প্রথম পর্ব

Wednesday, 11 July, 2018 05:30pm  
A-
A+
ঘুরে এলাম দক্ষিণ ভারত: প্রথম পর্ব

তারিকুল ইসলাম পলাশ
প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী, 
এইড ফাউন্ডেশন।

কিছুদিন ধরে পেশাগত দায়-দায়িত্ব ব্যক্তিগত সুখ-শান্তিতে হানা দিচ্ছে। জুন ফাইনালে তার তীব্রতা বেড়ে একটা স্থিতিশীলতায় আসলে হাফ ছাড়ার জন্য ভ্রমণ ঔষধ কার্যকর; সে প্রত্যাশায়, খুব বেশী গুরুত্বপূর্ণ না হলেও জুনের শেষে ‘সোস্যাল বিজনেস ডে’তে অংশগ্রহণ ও দক্ষিণ ভারত সফরের আকাক্সক্ষায় রথ দেখা ও কলা বেচার কাজ এক সাথে করার পরিকল্পনা করা হয়। ফ্রেস মন-মননে যাওয়া হলো না তাই সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে ঘুরে এলাম দশ দিন, তাও বকুল ও মুক্তর ফোনের কারণে বিছিন্নতায় বিঘ্নিত হতো। প্রথম পর্যায়ে অনেকে ভ্রমণে সহযাত্রী হতে চাইলেও ঝরতে ঝরতে শেষ পর্যন্ত ৪ জনে দাঁড়ালো। শেষ মুহূর্তে ডাস (এনজিও) এর আজাদ অপারগতা প্রকাশ করলে সেখানে এসে যুক্ত হয় ভ্রমণ সঙ্গী বকুলের বাল্যবন্ধু মিঠু। ম্যানেজারের দায়িত্ব যথারীতি মুক্ত’র কাধে তুলে যাত্রা শুরু হয়।

ঝিনাইদহ হতে ২৫ জুন দর্শনা-গেদে বর্ডার হতে আড়াইটার ট্রেন ধরে কোলকাতা পৌঁছালাম। পরদিন হাওড়া থেকে ১২ টায় হামসফর এক্সপ্রেসে ৩২ ঘন্টার রেলভ্রমণ উপভোগ করতে করতে পৌঁছালাম ব্যাঙ্গালুরু। কম্পার্টমেন্টে আমাদের সাথে ছিলেন স্থানীয় দুজন বাঙ্গালি মেডিকেল স্টুডেন্ট। তাদের ব্যাগ-ব্যাগেজ সব সীটের নীচে শিকল ও তালা দিয়ে বাধা আর আমাদের সব খোলা এ চিন্তায় মিঠুর ঘুম আসেনি, সারা রাত পাহারা দিয়েছে। যাত্রাপথে স্বচ্ছ শার্শি ভেদ করে প্রাকৃতিক দৃশ্য অবলোকন, হাসি-ঠাট্টা, খেলাধুলা, রকমারি খাবারের সাথে অখন্ড বিশ্রামের মাধ্যমে ভ্রমণটা আনন্দঘন হয়। যাত্রাপথের দু-ধারে প্রচুর তাল, নারিকেল, নিম, ইউক্যালিপটাস ও বাবলার মতো গাছের বাগান চোখে পড়ার মত। মাঠে তেমন ফসল নেই। বাড়িগুলির সিড়ি সব বাইরে দিয়ে। বেশিরভাগ সাধারণ মানুষ আমাদের মত লুঙ্গি পরে তবে তা সেলাইবিহীন।

ব্যাঙ্গালুরু পৌঁছে হকচকিয়ে গেলাম। ২০ বছর আগের দেখা স্বপ্নের সেই ব্যাঙ্গালুরু’র এ কি অবস্থা! পুরাতন বৃক্ষগুলির অধিকাংশ হারিয়ে গেছে। পরিচ্ছন্ন ছিমছাম যানজট বিহীন নিরিবিলি নগরীর চরিত্রে আমুল পরিবর্তন। সম্মেলন Infosys কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে সঙ্গত কারণে হোটেল বুক করা হয়েছিলো ইলেক্ট্রনিক্স সিটির সন্নিকটে। অঞ্চলটির অবস্থা আরো করুণ। পুরো রাস্তা জুড়ে মেট্রোরেল, ওভার ব্রীজ ও রাস্তা বিনির্মাণের কাজ চলছে সমান তালে। সঙ্গত কারণে ধূলাবালি ও যানজটে নাকাল অবস্থা। মনটা বিষন্নতায় ভরে গেলো। এ কোথায় এলাম!

বিশাল এক রুমে ৪ জনের থাকার ব্যবস্থা হলো। একসাথে বিশ্বকাপ খেলা উপভোগ করলাম; পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া কোথাও বিশ্বকাপ খেলার উত্তেজনা নেই, নেই তেমন আগ্রহ। ঘুমের ব্যাঘাত ঘটলো এক জনের তীব্র নাক ডাকার কারণে। পরদিন সকালে Infosys Campus-এ পৌঁছালাম। কোনো প্রতিষ্ঠান যে এতো সুন্দর গোছানো হতে পারে তা আমার কল্পনাতেও ছিলো না। প্রচুর গাছপালা কিন্তু কোথাও পড়ে নেই ঝরা পাতা, প্রতিটা ইঞ্চি জায়গা মনে হয় শিল্পীর নিপুন হাতে আঁকা। শত শত লোক আসছে যাচ্ছে সু-শৃঙ্খলভাবে, নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা অস্ত্র ও গাড়ি নিয়ে টহল দিচ্ছে আধা সামরিক পোশাক পরা রক্ষী। প্রতিটা জায়গায় আছে কোনো না কোনো কর্মব্যস্ততা, সমস্ত খারাপ লাগাটা কপ্পুরের মতো উবে গেলো। ভর করলো ভালো লাগার এক নিবিড় অনুভূতি। স্বপ্নের মধ্য দিয়ে চলে গেলো দুটি দিন। কষ্ট লাগলো মিঠুর সম্মেলনে অংশ গ্রহণের ব্যবস্থা ছিল না বলে প্রথম দিন একা একা অস্থির হয়ে ওঠে, তার মাঝে ওর বাড়িতে কি একটা সমস্যার কারণে দলছুট হয়ে সে আকাশ পথে ফিরে গেল কলকাতায়।

দুই দিনের পেশাগত কাজ শেষ করে ছুটলাম ব্যাঙ্গালুরু শহরের প্রাণকেন্দ্রে। এখানে এসে ২০ বছর আগের দেখা ব্যাঙ্গালুরুর সাথে মিল দেখে স্বস্তি পেলাম। লোক সমাগম বেশী হলেও মূল কাঠামোর খুব বেশী পরিবর্তন হয়নি। এ অঞ্চল থেকে বিখ্যাত সিল্ক সামগ্রীসহ কিছু শপিং করা ও আড্ডা দেওয়া হলো। ওখানে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী আমাদের সহকর্মীর ভাই মাহাবুব এসে আমাদের সাথে যোগ দিলো সৃষ্টি হলো অন্যরকম ভালো লাগা। বিদেশের মাটিতে পরিচিত জনের উপস্থিতি একটি আলাদা ধরনের শান্তি, স্বস্তি ও নির্ভরতা অনুভূত হয়।

পরদিন কাকডাকা ভোরে সরকারি একটি অত্যাধুনিক এসি বাসে রওনা দিলাম মহিশুরের উদ্দেশ্যে। যেতে যেতে পথের দুধারের অপরূপ প্রাকৃতিক দৃশ্য, মানুষের কর্মময় জীবনাচার, পোষাক-পরিচ্ছদ, ঘরবাড়ী, বৃক্ষরাজীর বৈচিত্রতা দেখতে দেখতে যাত্রাবিরতীর সময় হলো, প্রচন্ড ক্ষুধায় তৃপ্তি সহকারে খেলাম স্থানীয় গরম-গরম ডালপুরি (বড় আকারের লুচির মত) ইতিপূর্বে এদের প্রধান খাবার ইডলী ও দোসার স্বাদ নিয়েছি। দুপুর নাগাদ মহিশুরের প্রধান বাস টার্মিনালে পৌঁছেই ঢুকে পড়া হলো একটি ট্রাভেল এজেন্ট অফিসে। নেয়া হলো প্যাকেজ। দুপুর থেকে রাত অবধি মহিশুর শহরের বিখ্যাত স্থাপনাগুলো দেখার সুযোগ হলো। বৃষ্টিতে ভিজে-পুড়ে ঢুকে পড়লাম মহিশুরের বিখ্যাত রাজবাড়ী মহিশুর প্যালেসে। এ অঞ্চলের আবহাওয়া এই রোদ এই বৃষ্টি। প্রচন্ড ভিড় ঠেলাঠেলি করে অতৃপ্তি সহকারে দেখা হলো বিশাল রাজবাড়ীটি। এটিকে ভালোভাবে দেখতে হলে ন্যূনতম দুদিনের প্রয়োজন। এটি টিপু সুলতানের স্থাপনা বলে আমার ভুল ধারনা ছিলো দ্বিতীয়বার এসে ভুলটি ভাঙ্গলো। এটি মূলত কৃষ্ণচন্দ্র রাজবংশ কর্তৃক নির্মিত।

অঞ্চলটি চন্দ্র রাজবংশের একছত্র আধিপত্য ছিলো দীর্ঘদিন। তাদেরই এক সেনাপতি হায়দার আলী মহিশুরের শাসক হিসেবে উত্থান ঘটে। তিনি শ্রীরঙ্গপত্তনম গ্রামের কাবেরী নদীর একটি ব-দ্বীপে নির্মিত দূর্গ হতে রাজ্য শাসন করতেন। ইংরেজ আগমনের প্রেক্ষিতে কৃষ্ণচন্দ্র রাজবংশের একছত্র আধিপত্যে ও কর্তৃত্বের অবসান ঘটতে থাকে। বাধ্য হয়ে উক্ত রাজারা বৃটিশদের সাথে সমঝোতা করে রাজত্ব টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করে। অপর পক্ষে মহিশুরকে ইংরেজদের হাত হতে রক্ষা করতে এবং অগ্রসরমান বৃটিশদের বিরোধীতা করে সাম্রাজ্যের বিস্তার ঘটাতে থাকেন হায়দার আলী। পরবর্তীতে টিপু সুলতানের আমলেও ঐ ধারা অব্যাহত থাকে। ইতিহাসের তথ্যানুসারে টিপুর আমলেই আধুনিক যুদ্ধাস্ত্র ক্ষেপনাস্ত্রের উদ্ভব ঘটে। এমনকি ইংরেজ বিদ্বেষী টিপু সুলতান ফারসী যন্ত্রকুশলীদের দ্বারা নির্মিত প্রমাণ আকারের একটি খেলনা ক্লকওয়ার্ক সিস্টেম ব্যবহার করেছিলেন; যা ‘টিপু’স টাইগার নামে পরিচিত ছিল।

দেখতে গেলাম শহর থেকে একটু দূরে টিপু সুলতানের দূর্গ ও প্যালেস। পরপর দুটি সুরক্ষিত গেট পেরিয়ে ঢুকে পড়লাম বিশাল প্রাচীর বেষ্টিত একটি ময়দানে, মনে হলো এই কিছুক্ষণ আগেই এখানে ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে। বিস্ময়ের সাথে লক্ষ্য করলাম এমন ঐতিহাসিক স্থাপনার মধ্যে নতুন করে নির্মিত স্থাপনায় মানুষ বসবাস করছে। সর্বক্ষেত্রে অযত্ন-অবহেলা ও অনিয়মের নিদর্শন দেখতে দেখতে পৌঁছে গেলাম দূর্গের যেখানে হত্যা করা হয়েছিলো শের-ই-মহিশুর খ্যাত টিপু সুলতানকে। তার পাশেই কাবেরী নদীতে যাওয়ার একটি সুড়ঙ্গ দেখলাম। ইতিহাস হতে অনুসৃত টিপু সুলতানের পতনও হয়েছিলো তারই বিশ্বস্তজন সেনাপতি মীর সাদিক এর বিশ্বাস ঘাতকতার কারণে। তার পাশেই ডিনামাইট দিয়ে ধুলিস্মাৎ করা টিপু সুলতানের প্যালেস, যেন ব্যঙ্গ করছে সকলকে। প্যালেসটিরও গাঁ ঘেঁষে নির্মিত হয়েছে নতুন বসতবাড়ী যা বিস্ময়কর। সময় স্বল্পতার কারণে ইতিপূর্বে দেখা টিপু সুলতানের মূল দূর্গ দেখার সুযোগ হলো না। অবাক বিস্ময়ে লক্ষ্য করলাম গাইড দূর্গটি অতিক্রম করার সময় মন্দিরের মতো প্রণাম করার আহ্বান জানালো। কালের বিবর্তনে আজ দূর্গটি হয়ে গেছে মন্দির। পার্ক ও জলের মিউজিক্যাল ফোয়ারা সহ আরো কিছু স্পট দেখে চলে এলাম হোটেলে, মেতে উঠলাম বিশ্বকাপ খেলার আনন্দে।

পরদিন সকালে নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চল থেকে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমন্ডিত স্বাস্থ্যসম্মত শীতল অঞ্চল উটির উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু হলো। কিছু সময় পর ঢুকে গেলাম গহীন বনের মধ্যে। চারদিকে বন মাঝখান দিয়ে দুই লেনের প্রশস্থ রাস্তা। রাস্তার দুপাশে অবাধ বিচরণ করছে নানা জাতের রং-বেরং এর হরিণ, বন মোরগ-মুরগি, ময়ূর, বানর প্রভৃতি প্রাণি। দেখা মিললো বন্য হাতিরও। মাঝে মাঝে সাইনবোর্ড দেওয়া আছে টাইগার রিজার্ভ এরিয়ার। গাইড জানিয়ে দিলেন বনের মাঝা-মাঝি এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে ঢোকার চেকিং পয়েন্ট। বিশেষ করে অন্য রাজ্যের এলকোহল থাকলে তা তামিলনাড়ুতে ঢুকতে মানা। চেকের বহর দেখে মনে হলো এ যেনো এক দেশ থেকে অন্য দেশে ঢোকার মতো অবস্থা। আরো কিছুদূর বন পেরিয়ে ঢুকে গেলাম পাহাড়ের রাজ্যে। পাহাড়ে উঠছিতো উঠছিই। অনাহুত শীতের প্রখরতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাথার উপর দিয়ে চলে যাচ্ছে মেঘ, তার মধ্যে লুকোচুরি খেলছে সূর্য। কখনো বা ঘন অন্ধকার করে মেঘ ঘিরে ফেলছে আমাদের, ভিজিয়ে দিচ্ছে চারপাশ। দুপুরে হোটেলে লাগেজ রেখে দ্রুত বেরিয়ে গেলাম শহর সংলগ্ন স্পটগুলো দেখতে। এতো কষ্ট করে এতো দূর আসাটা ক্ষণিকের জন্য নিঃষ্ফল মনে হলো। খুব বেশি ভালো লাগার মতো কিছু দেখলাম না। কোথাও ফ্যান বা এসি’র ব্যবহার নেই, তা হতে অনুমেয় বারো মাস এখানে ঠান্ডা থাকে, সকালে ছুটতে হলো শহরের পাশের দর্শনীয় স্থানগুলি দেখার জন্য।

অপরূপ! অপূর্ব! মানব জীবনই স্বার্থক। প্রকৃতি যে এমন সাজে সাজতে পারে তা ধারণারও অতীত এর বর্ণনা আমার পক্ষে করা সম্ভব নয়। তাইতো এ অঞ্চলে অনেক ছায়াছবির শুটিং হয়েছে। দিল-ছে ছবির শাহরুখ খাঁন ও মালেকার অভিনীত ছায়া ছায়া .....গানের সেই রেলগাড়ি ও লাইন দেখলাম। কিছু অঞ্চল কিলোমিটারের পর কিলোমিটার চা বাগান, ঝর্ণা, পাহাড়ী নদী তার মাঝ দিয়ে পিচঢালা পথ। মনে হয়েছিলো সাগরের বিশাল সবুজ ঢেউয়ের মাঝে ডিঙ্গি নৌকায় নিরুদ্দেশ পথচলা। আর একটি বিষয় দেখে বিস্মিত হলাম, একটি বড় চা বাগানের সেল্স সেন্টারে রকমারী চায়ের সাথে আছে কফিবিন। এখানে কফির চাষও হয়, চকলেট তৈরির মূল উপাদান কোকোয়া গাছের বীজ উৎপাদিত হয় বিধায় হাতে তৈরী রকমারী চকলেটের জন্য বিখ্যাত অঞ্চলটি। দেখা মিললো হাতে তৈরী সাবান। বিস্ময়ের সাথে আরো পর্যবেক্ষণ করলাম আমরা যে গাছটিকে প্রকৃতির শত্রু বলে ভাবি সেই ইউক্লিপটাসের পাতা স্থানীয়ভাবে পরিশোধনের মাধ্যমে তৈরী হচ্ছে উপকারী ও সুগন্ধী তেল। আসলেই অগাছ-কুগাছ বা আগাছা বলে কোনো বৃক্ষ নেই। পাহাড়ের আরো উপরে (চূঁড়ায়) একটা স্পটে যাওয়া হলো, যেখান থেকে হাত দিয়ে মাঝে মধ্যে মেঘ স্পর্শ করা যায়।

পাহাড়ী মানুষের হাতে তৈরী নানা উপকরণ সংগ্রহ ও খাদ্যের স্বাদ গ্রহণ করা হলো। দুপুরে খাওয়া হলো পাহাড়ের ঢালে অবস্থিত একটি হোটেলে। অঞ্চলটি মূলত পাহাড়ে উৎপাদিত নানা প্রাকৃতিক সম্পদের উপর নির্ভরশীল। পাহাড়ের খাঁজে খাঁজে উৎপাদিত হয় সবজী। এখানকার সবজী জগৎ বিখ্যাত। কিন্তু একটি বিষয় লক্ষ্যণীয়, সকল পাবলিক প্লেসে প্রচুর বাথরুম ও ওয়াশরুম থাকলেও সবখানে তা পয়সা দিয়ে ব্যবহার করতে হয়, যার ফলে ওগুলো পরিস্কার পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্য সম্মত কিন্তু সাধারণ হোটেল ও টয়লেট গুলোতে নেই কোনো সাবান, হ্যান্ডওয়াশ বা টিস্যুর ব্যবহার। যে কারণে সমস্ত ভ্রমণকাল আমাদের জন্য ছিলো অস্বস্তিকর। তাইতো যাত্রাপথে পকেটে সব সময় রাখতে হতো এ সব উপকরণ। পরবর্তী মিশন তিন সাগরের মিলনস্থল (ভারত, আরব ও বঙ্গোপসাগর) ভারতের সর্ব দক্ষিণের শহর কন্যাকুমারী। (চলবে)


এই ধরনের আরও পোস্ট -
   

আরও খবর

TOP